টংগী সরকারি কলেজ -এ স্বাগতম
টংগী সরকারি কলেজ -এ স্বাগতম
শিল্পজেলা গাজীপুরের অন্যতম শিল্পনগরী টংগী। এ অঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষের উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করার মানসে স্বাধীনতা উত্তরকালে টংগী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ভাওয়ালের তৎকালীন প্রবীণ শিক্ষাবিদ গণপরিষদ সদস্য আব্দুল হাকিম মাস্টারের নেতৃত্বে প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোজাম্মেল হক, হাসান উদ্দিন সরকার, ডা. এম এ রশীদ, সবদর আলী মাস্টার, আজহার উদ্দিন ওরফে নবীন সরকার এবং ডা. এ কে এম আব্দুর রশীদ প্রমুখের সম্মিলিত উদ্যোগে ১৯৭২ সালের শুভলগ্নে টংগী কলেজ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। টংগী কলেজের স্বীকৃতির জন্য কাজী মোজাম্মেল হক ও অন্য সদস্যবৃন্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করে টংগীবাসীর প্রাণের দাবী উপস্থাপন করেন। পরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধু টাঙ্গাইল সফরের উদ্দেশ্যে যাত্রাপথে টংগী কলেজ গেইটে কলেজ পরিচালনা পর্ষদ প্রদত্ত সংবর্ধনার জবাবে টংগী কলেজকে স্বীকৃতির ঘোষণা প্রদান করেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৮৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি টংগী কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের উদ্যোগে টংগী সরকারি কলেজে মানবিক ও বাণিজ্য শাখার ৮টি বিষয়ে অনার্স কোর্স এবং পর্যায়ক্রমে মাস্টার্স কোর্স চালু করেন। আহসান উল্লাহ মাস্টার এর সুযোগ্য উত্তরসূরি তাঁর জেষ্ঠ্য সন্তান বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল এর নেতৃত্বে ২০১২ সালে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখায় আরও ৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করেন। বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। কলেজে কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা ৭৬ জন। আরও ৫টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালুসহ অবকাঠামোর উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
PRINCIPAL MESSAGE
এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যকে সামনে রেখে টংগী সরকারি কলেজ রুটিন অনুযায়ী প্রতিটি ক্লাস মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে গ্রহণ এবং বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের বছরের শুরু থেকে ব্যবহারিক ক্লাস নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক মানকে উন্নত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। একজন কাউন্সিলরের নিবিড় তত্ত্বাবধানে ২৫জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাবিষয়ক অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, জাতীয় দিবসসমূহের তাৎপর্য তুলে ধরে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন, বাঙালী সংস্কৃতির প্রধান অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখ সাড়ম্বরে উদ্যাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তাই আসুন আমরা সবাই নিষ্ঠার সাথে যার যার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হয়ে টংগী সরকারি কলেজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাই।
VICE PRINCIPAL MESSAGE
Tongi Govt. College © 2018Frontier Theme
Comments
Post a Comment